১৬ মে পর্যন্ত বন্ধ থাকবে ট্রেন ও লঞ্চ, জেলার ভেতরে চলবে গণপরিবহণ
সচিব আরও জানান, করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে চলমান বিধিনিষেধ ১৬ মে পর্যন্ত বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ সময়ে দূরপাল্লার বাস ও জরুরি সেবা খাত ছাড়া সরকারি অফিস বন্ধ থাকবে। বন্ধ থাকবে সীমান্ত। এ ছাড়া গার্মেন্টসসহ শিল্পকারখানা তিন দিনের বেশি ছুটি দেওয়া যাবে না।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম আরও জানান,বিধিনিষেধ চলাকালে দোকানপাট ঈদ পর্যন্ত খোলা থাকবে। তবে যদি স্বাস্থ্যবিধি না মানা হয়,তবে বন্ধ করে দেওয়া হবে। সিদ্ধান্ত অমান্য করলে জরিমানা করা হবে বলেও জানান তিনি।
সচিব আরও বলেন,আজকের মন্ত্রিসভার এ সুপারিশগুলো প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হবে। তারপর অফিশিয়াল সিদ্ধান্ত এলে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।’
এর আগে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম বলেছিলেন,‘জেলার ভেতরে গণপরিবহণ চলতে পারে। কিন্তু জেলা থেকে জেলায় গণপরিবহণ চলার মতো পরিবেশ ও পরিস্থিতি এখনও তৈরি হয়নি।’
এ সময় স্বাস্থ্যের ডিজি আরও বলেন,‘করোনার ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণের জন্য স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের সুপারিশে দেশে লকডাউন চলছে। এপ্রিল মাসে করোনার সংক্রমণ ও মৃত্যু বেশি থাকলেও এখন কিছুটা কমে আসছে।’ করোনা নিয়ন্ত্রণে আরও কিছুদিন গণপরিবহণ চলাচল বন্ধ রাখতে হবে বলে জানান তিনি।
করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় প্রথমবার ৫ থেকে ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত বিধিনিষেধ দেওয়া হয়। পরে ১৪ এপ্রিল থেকে শুরু হয় এক সপ্তাহের কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে সরকার। পরে দুই দফায় ৫ মে পর্যন্ত বাড়ানো হয়। তবে দোকানপাট ও শপিং মল খোলাসহ বেশকিছু বিষয়ে বিধিনিষেধের শর্ত শিথিল করে সরকার।

0 মন্তব্যসমূহ
thanks' for your comments